প্রসাদ ও উৎসবের রান্না
পূজা ও উৎসবের ঐতিহ্যবাহী ভোগ — পঞ্চামৃত, মোদক, পায়েস, ঠেকুয়া, পোঙ্গল ও আরও অনেক কিছু — পরিমাণ, প্রণালী এবং কোন দিনে নিবেদন করা হয় তা সহ।
রান্না22
শস্য ছাড়া7প্রায়ই ব্রতে তৈরি হয়
উপবাস ও নিবেদনের রীতি পরিবার, অঞ্চল ও সম্প্রদায় অনুযায়ী আলাদা — কেউ কেউ নুন, দুধ, চিনি বা কিছু সবজি একেবারেই খান না। নিজের পরম্পরা ও গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।
- পঞ্চামৃত পাঁচটি অমৃত — দুধ, দই, ঘি, মধু ও চিনি — যা দিয়ে অভিষেক হয় এবং পরে প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়। শস্য ছাড়ানুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- চরণামৃত তুলসীসহ দুধ বা দইয়ের একটি হালকা, সুগন্ধি নৈবেদ্য, আরতির পরে চামচে দেওয়া হয়। শস্য ছাড়ানুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- ভাজা মোদক (তলনীচে মোদক) মিষ্টি নারকেল ও গুড়ের পুর দেওয়া মুচমুচে গমের আটার পিঠে — গণেশের প্রিয় মিষ্টি। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- উকড়িচে মোদক (ভাপানো চালের মোদক) নারকেল-গুড়ের পুর দেওয়া চালের গুঁড়োর নরম ভাপা পিঠে, এক চামচ ঘি দিয়ে পরিবেশিত। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- সুজির শিরা (সুজির হালুয়া) ঘিয়ে ভাজা সুজি দুধ ও চিনি দিয়ে রান্না — সত্যনারায়ণের চিরাচরিত প্রসাদ। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- কড়াহ প্রসাদ (গমের আটার হালুয়া) সমান মাপে গমের আটা, ঘি ও চিনি — গুরুদ্বারের পবিত্র নৈবেদ্য, গুরু নানক জয়ন্তী ও অরদাসের জন্য ঘরেও তৈরি হয়। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- চালের পায়েস (চাওয়াল কি খীর) দুধে ধীরে ধীরে রান্না করা চাল, ঘন হওয়া পর্যন্ত — শরৎ পূর্ণিমায় (কোজাগরী), শ্রাদ্ধে ও অনেক উৎসবে নিবেদিত। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- সাবুদানার খিচুড়ি ভেজানো সাবুদানা চিনাবাদাম, আলু ও জিরে দিয়ে নাড়াচাড়া করা — পেটভরা উপবাসের খাবার। শস্য ছাড়াকেবল সৈন্ধব লবণপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- কুট্টুর পুরি (বাকহুইটের পুরি) আলু দিয়ে বাঁধা কুট্টুর আটার নরম পুরি — নবরাত্রির উপবাসের প্রিয় রুটি। শস্য ছাড়াকেবল সৈন্ধব লবণপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- সিঙাড়ার আটার হালুয়া (পানিফলের আটার হালুয়া) উপবাসের দিনের জন্য পানিফলের আটার একটি দ্রুত, সমৃদ্ধ হালুয়া। শস্য ছাড়ানুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- তিলের নাড়ু (তিল ও গুড়ের লাড্ডু) ভাজা তিল ও গুড়ের উষ্ণতাদায়ী নাড়ু, মকর সংক্রান্তিতে বিতরণ করা হয়। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- পুরণ পোলি মিষ্টি ছোলার ডাল ও গুড়ের পুর ভরা নরম রুটি — হোলি ও গুড়ি পাড়োয়ার উৎসবের নৈবেদ্য। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- সক্করই পোঙ্গল (মিষ্টি পোঙ্গল) গুড় ও ঘি দিয়ে রান্না করা চাল ও মুগ ডাল — যে পদ থেকে ফসলের উৎসবের নাম। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- তিলকুট গুড় বা চিনির সঙ্গে কোটা তিলের মুচমুচে চাকতি — বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সংক্রান্তির মিষ্টি। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- ঠেকুয়া কাঠের ছাঁচে গড়া গম-গুড়ের মুচমুচে বিস্কুট — ছটের অপরিহার্য প্রসাদ। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- গুজিয়া খোয়া, সুজি ও শুকনো ফলের পুর ভরা অর্ধচন্দ্রাকার পিঠে — হোলির মিষ্টি। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- মালপোয়া মৌরি ও এলাচ দেওয়া নরম, রসে ভেজানো মালপোয়া, হোলিতে ও মন্দিরের ভোগ হিসেবে তৈরি হয়। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- অন্নম নৈবেদ্যম (ঘি ও ডাল দিয়ে ভাত) ঘি ও সাধারণ ডাল দিয়ে সাদা ভাত — দক্ষিণ ভারতের অনেক ঘরের দৈনন্দিন নৈবেদ্য। নুন দেওয়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- রাভা কেসরি ঘি ও কাজু দেওয়া উজ্জ্বল কেশর রঙের সুজির মিষ্টি, দক্ষিণ ভারতের প্রিয় প্রসাদ। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- পাল পায়সম (কেরালার দুধের পায়েস) দুধে ধীরে ধীরে ঘন করা চাল, হালকা গোলাপি ও ক্রিমি হওয়া পর্যন্ত — ওনাম ও কেরালার মন্দিরের উৎসবের পায়েস। নুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- ধনে পঞ্জিরি চিনি, মাখানা ও শুকনো ফল দিয়ে ভাজা ধনে গুঁড়ো — জন্মাষ্টমীর মধ্যরাতের প্রসাদ। শস্য ছাড়ানুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
- মাখানার পায়েস দুধে ফোটানো ভাজা মাখানা — উপবাসের দিনের জন্য ক্রিমি পায়েস। শস্য ছাড়ানুন ছাড়াপেঁয়াজ-রসুন ছাড়া
এই রান্নাগুলি আমাদের সম্পাদকীয় দল ঘরোয়া প্রচলিত রীতি অনুযায়ী লিখেছে। মাপ: 1 কাপ = 240 মিলি, 1 টেবিল চামচ = 15 মিলি, 1 চা চামচ = 5 মিলি।